দ্রুত বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা, অপপ্রচার-উসকানি বন্ধ এবং একপক্ষীয় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধসহ চার দাবি জানিয়েছেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা।
সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের অন্য দাবিগুলো হলো, অতি দ্রুত বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা এবং কাকরাইল মসজিদ ও ইজতেমা ময়দানের ন্যায্য বণ্টন অবিলম্বে নিশ্চিত করা।
আজ সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ মূলধারার জন্য বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা এবং চলমান সংকট নিরসনের দাবিতে ‘তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের বরেণ্য ওলামায়ে কেরাম ও সুশীল সমাজ ব্যানারে’ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া।
এতে বলা হয়, ৬০ বছর ধরে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ মূলধারা টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠান করে আসছে। তবে ছয়-সাত বছর ধরে তাবলিগ জামাতের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে ইজতেমা ঘিরে পাল্টাপাল্টি উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিতর্ক ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ইজতেমার বৈশ্বিক আবেদন আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে, যা বাংলাদেশ ও সবার জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ।
বিশ্ব তাবলিগের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে ঘিরে বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল, মসজিদের মিম্বর ও অন্যান্য পরিসরে বিতর্কিত বক্তব্য, অভিযোগ ও অপপ্রচার করা হচ্ছে। তাবলিগ জামাতের বিভাজন নিরসনে আলেমদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা উচিত। কোনো পক্ষের হয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া বা সরকারের ওপর একতরফা চাপ সৃষ্টি করার পরিবর্তে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ তৈরি করা সবারই দায়িত্ব।
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মারকাযুস সুফফাহ আল ইসলামিয়া বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল মুফতি শফিউল্লাহ মাক্কী অভিযোগ করে বলেন, সাদপন্থীদের ইজতেমা হলে জুবায়েরপন্থীরা বাধা দেন। এবারও তারা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। তৃতীয় পক্ষ যোগ হয়ে এটিকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে।
তৃতীয় পক্ষ কারা জানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের সাবেক কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, হেফাজতে ইসলামের একটি অংশ এই কাজ করছে। যারা সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলন ও উসকানি দিচ্ছে, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় আছে। অন্য সময় তাদের দেখা না গেলেও ইজতেমার সময় আসলেই তারা এসব করে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সাভারের মারকাজুল উলুম আশ শারইয়্যাহর জ্যেষ্ঠ মুহাদ্দিস মাওলানা গোলাম মুস্তাফা, রাজধানীর ভাটারার মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল আহাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মঞ্জুরুল হক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শফিউল বারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশফাক, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খালেদ প্রমুখ।
সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের অন্য দাবিগুলো হলো, অতি দ্রুত বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে সব হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা এবং কাকরাইল মসজিদ ও ইজতেমা ময়দানের ন্যায্য বণ্টন অবিলম্বে নিশ্চিত করা।
আজ সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ মূলধারার জন্য বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা এবং চলমান সংকট নিরসনের দাবিতে ‘তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের বরেণ্য ওলামায়ে কেরাম ও সুশীল সমাজ ব্যানারে’ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষক মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া।
এতে বলা হয়, ৬০ বছর ধরে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ মূলধারা টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠান করে আসছে। তবে ছয়-সাত বছর ধরে তাবলিগ জামাতের অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে ইজতেমা ঘিরে পাল্টাপাল্টি উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিতর্ক ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ইজতেমার বৈশ্বিক আবেদন আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে, যা বাংলাদেশ ও সবার জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ।
বিশ্ব তাবলিগের আমির মাওলানা সাদ কান্ধলভীকে ঘিরে বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল, মসজিদের মিম্বর ও অন্যান্য পরিসরে বিতর্কিত বক্তব্য, অভিযোগ ও অপপ্রচার করা হচ্ছে। তাবলিগ জামাতের বিভাজন নিরসনে আলেমদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা উচিত। কোনো পক্ষের হয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া বা সরকারের ওপর একতরফা চাপ সৃষ্টি করার পরিবর্তে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ তৈরি করা সবারই দায়িত্ব।
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মারকাযুস সুফফাহ আল ইসলামিয়া বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল মুফতি শফিউল্লাহ মাক্কী অভিযোগ করে বলেন, সাদপন্থীদের ইজতেমা হলে জুবায়েরপন্থীরা বাধা দেন। এবারও তারা প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। তৃতীয় পক্ষ যোগ হয়ে এটিকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে।
তৃতীয় পক্ষ কারা জানতে চাইলে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের সাবেক কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, হেফাজতে ইসলামের একটি অংশ এই কাজ করছে। যারা সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলন ও উসকানি দিচ্ছে, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় আছে। অন্য সময় তাদের দেখা না গেলেও ইজতেমার সময় আসলেই তারা এসব করে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সাভারের মারকাজুল উলুম আশ শারইয়্যাহর জ্যেষ্ঠ মুহাদ্দিস মাওলানা গোলাম মুস্তাফা, রাজধানীর ভাটারার মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল আহাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মঞ্জুরুল হক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শফিউল বারী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশফাক, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খালেদ প্রমুখ।