আবারো অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে কওমী মাদরাসা ভিত্তিক দলগুলো

আপলোড সময় : ০৯-০১-২০২৬ ০৩:০৪:২৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৯-০১-২০২৬ ০৩:০৪:২৫ অপরাহ্ন
 
আসন সমঝোতা না হলে ভেঙে যাবে ১১ দলীয় জোট। অস্তিত্ব সংকটে পড়বে কওমী মাদরাসা ভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো। জামাত বিএনপির সাথে মিলে জাতীয় সরকারের চিন্তা করলে আসন সমঝোতা নাও হতে পারে। ২৮৮ আসনেই নির্বাচন করতে পারে দলটি।
বিশ্লেষকগন মনে করছেন, বিএনপির সাথে ইসলামি দলগুলে এবার জোটে গেলে জামাতে ইসলামি অস্তিত্ব সংকটে পড়তে। সেই বৈতরণি পার করতেই ইসলামী জোটের আওয়াজ তুলেছিল জামাতে ইসলামী। যদিও এি জোট নিয়ে এখন তাদের কোন আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে না৷ এই ফাঁদে পা দিয়ে সমঝোতা থেকে ছিটকে পড়লে জাতীয় নির্বাচনে মূখ থুবড়ে পড়বে ইসলামি দলগুলোর রাজনৈতিক কাটামো। ভোটের রাজনীতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দলীয় অবস্থান।
ইসলামপন্থী দলগুলোর ভোট এক ছাতার নিচে আনতে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে একসঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সহ ৮দলীয় জোট।
তবে নির্বাচনের ঠিক আগে আসন ভাগাভাগি নিয়ে দুই দলের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। নমিনেশন দাখিল করলেও সমাধান করতে পারিনি নিজেদের আসন সমঝোতা। আসন সমঝোতা নিয়ে সারাদেশে তিক্ততা তৈরি হয়েছে দলগুলোর ভিতর। অনলাইনে নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষেভে প্রতিনিয়ত এই জোট ভাঙ্গার পক্ষে মতামত দিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত এই সমঝোতা টিকবে কি না, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে সংশয়।
জোটের নেতা–কর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াত নিজের জন্য ১৮০ থেকে ১৮৫টি আসন রাখতে চায়। বাকি আসনগুলো জোটের শরিকদের মধ্যে বণ্টনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই হিসাবে জামায়াতের পর সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়ার কথা ইসলামী আন্দোলনের, এরপর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)।
তবে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয়। দলটির দাবি, তাদের আরও বেশি আসন পাওয়া উচিত। বিশেষ করে সদ্য গঠিত এনসিপিকে ৩০টি আসন দেওয়ার সিদ্ধান্তে তারা ক্ষুব্ধ।
তাদের মতে, এনসিপিকে অযথা অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অবস্থানও ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে মিলে গেছে। জামাতের সাথে জোট করে চরমোনাইর পর সবচেয়ে বেশে দলীয়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মাওলানা মামুনুক হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। সীমিত আসন পাওয়ায় ঘর সামলানোই তার দায় হয়ে পড়ছে। অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে দলটি।
শুরুতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ মোট আটটি দল আসন ভাগাভাগির আলোচনায় ছিল। তবে মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখের একদিন আগে ২৮ ডিসেম্বর, এনসিপি এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) জোটে যোগ দেয়। ওই রাতেই আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) যুক্ত হওয়ার খবর আসে। এতে জোটের শরিক দলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১১টিতে।
ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শীর্ষ নেতারা জানান, এনসিপি, এলডিপি ও এবি পার্টিকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে তাদের মতামত যথাযথভাবে গুরুত্ব পায়নি। তাদের অভিযোগ, জামায়াতের একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণই বর্তমান অসন্তোষের মূল কারণ। জামাত এক তরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোচ্ছে। কারো সাথে আলোচনা করে সমাধান করছেনা এবং ছাড় দিয়ে সমঝাতার পথে এগোচ্ছেনা বলে জোট নেতাদের দাবী।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক : সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ 

ন্যাশনাল মিডিয়া হাউজ লিঃ 

ঠিকানা : রিসোর্সফুল পল্টন সিটি, ৮ম তলা, ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন। ঢাকা-১০০০.

ফোন : 0963 8932 732, ই মেইল : news@nationaltimes24.com

অফিস :