ঢাকার কেরানীগঞ্জে তাবলীগ জামায়েতের ৫ দিনব্যাপী জোড় আজ সমাপ্ত হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় জোড়ের ময়দানের আখেরী মোনাজাত করেন তাবলীগ জামাতের বিশ্ব আমীর দিল্লীর মাওলানা সা'দ কান্ধলভীর ছেলে হাফেজ মাওলানা মুফতী ইউসুফ বিন সাদ কান্ধলভী। মোনাজাতে সারাদেশের তাবলীগের সাথী ছাড়াও ঢাকা কেরানীগঞ্জের আশপাশের লাখ লাখ মুসল্লী শরীক হন।
গত ( ০৭ নভেম্বর ) শুক্রবার থেকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার শাক্তা ইউনিয়নের মিকাইলের এই অনুষ্ঠিত জোড় আজ মঙ্গলবার আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়। সরজমিনে দেখা যায় বিশাল এই ময়দান এক কিলোমিটার জায়গা জুড়ে মুসল্লীরা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েন।
ইজতেমার ময়দানে যোগ দিতে দেশের ৬৪ জেলা থেকে তাবলীগ জামাতের ৩ চিল্লার সাথীরা সময় লাগিয়েছেন কেবল এই ইজতেমায় তারাই শরিক হবে। জোড় থেকে দেশে বিদেশ জামাত বিশ্ব ইজতেমার দাওয়াতের জন্য পাঠানো হয়। বিশ্ব ইজতেমার মতোই এ জোড়েও তাবলীগ জামাতের কেন্দ্রীয় বিশ্ব মারকাজ দিল্লির নিজামুদ্দিনের মুরুব্বিগণ গুরুত্বপূর্ণ বয়ান রাখবেন।
কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বী ও তাবলীগ জামাতের আহলে শূরা সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, ৫ দিনব্যাপী এই জোর তাবলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনি জামায়েত। এর সফলতার ওপর টঙ্গীর ময়দানে বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি ও আগামি এক বছরের কাজের অগ্রগতি নির্ভর করে। আমরা সব ধরনের বিরোধ এড়িয়ে কেরানীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ জোড় করছি। সারাদেশের কয়েক লাখ তিন চিল্লার সাথী এতে শরীক হয়েছেন।
তাবলীগ জামাতের মিডিয়া সমন্বক মো: সায়েম বলেন, ৫ দিনের এই জোরে ২০টি দেশের প্রায় ৬শ’ বিদেশি মেহমান উপস্থিত হয়েছেন। বিদেশি মেহমানরা আমাদের দেশের বিভিন্ন জেলায় দাওয়াতি কাজ করবেন। আমাদের এই ময়দানে ৩ লক্ষ সাথী এই জোরে ইজতেমায় উপস্থিত হয়েছেন।
গত ( ০৭ নভেম্বর ) শুক্রবার থেকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার শাক্তা ইউনিয়নের মিকাইলের এই অনুষ্ঠিত জোড় আজ মঙ্গলবার আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়। সরজমিনে দেখা যায় বিশাল এই ময়দান এক কিলোমিটার জায়গা জুড়ে মুসল্লীরা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েন।
ইজতেমার ময়দানে যোগ দিতে দেশের ৬৪ জেলা থেকে তাবলীগ জামাতের ৩ চিল্লার সাথীরা সময় লাগিয়েছেন কেবল এই ইজতেমায় তারাই শরিক হবে। জোড় থেকে দেশে বিদেশ জামাত বিশ্ব ইজতেমার দাওয়াতের জন্য পাঠানো হয়। বিশ্ব ইজতেমার মতোই এ জোড়েও তাবলীগ জামাতের কেন্দ্রীয় বিশ্ব মারকাজ দিল্লির নিজামুদ্দিনের মুরুব্বিগণ গুরুত্বপূর্ণ বয়ান রাখবেন।
কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বী ও তাবলীগ জামাতের আহলে শূরা সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, ৫ দিনব্যাপী এই জোর তাবলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ দ্বীনি জামায়েত। এর সফলতার ওপর টঙ্গীর ময়দানে বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি ও আগামি এক বছরের কাজের অগ্রগতি নির্ভর করে। আমরা সব ধরনের বিরোধ এড়িয়ে কেরানীগঞ্জে শান্তিপূর্ণ জোড় করছি। সারাদেশের কয়েক লাখ তিন চিল্লার সাথী এতে শরীক হয়েছেন।
তাবলীগ জামাতের মিডিয়া সমন্বক মো: সায়েম বলেন, ৫ দিনের এই জোরে ২০টি দেশের প্রায় ৬শ’ বিদেশি মেহমান উপস্থিত হয়েছেন। বিদেশি মেহমানরা আমাদের দেশের বিভিন্ন জেলায় দাওয়াতি কাজ করবেন। আমাদের এই ময়দানে ৩ লক্ষ সাথী এই জোরে ইজতেমায় উপস্থিত হয়েছেন।