এবার চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে ভিড়লেন পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ডা. রুস্তম আলী ফরাজি। গতকাল শনিবার তিনি দলটিতে যোগ দিলে তাঁকে পিরোজপুর-৩ আসনে হাতপাখার প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।
তিনি এ আসনে তিনটি দল থেকে চারবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। একবার করে বিএনপি, জাতীয় পার্টি (জাপা), মহাজোট এবং স্বতন্ত্র। সর্বশেষ গত বছর ৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সরকারের অধীন নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রর্থী হয়ে হারেন।
জানা গেছে, ডা. ফরাজি ১৩টি বাসে অনুসারী নিয়ে গতকাল দুপুরে চরমোনাই দরবারে যান। পীর ও ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ওই দলে যোগ
দেন। ওই অনুষ্ঠানে মুফতি রেজাউল তাঁকে পিরোজপুর-৩ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা দেন।
ইসলামী আন্দোলনের সহকারী মহাসচিব ও পীরের ভাই মুফতি সৈয়দ এসাহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের সমকালকে জানান, ডা. রুস্তম ২০১৭ সালে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তিনি বিতর্কিত নির্বাচনে অংশ নিলে তাঁর সদস্য পদ স্থগিত করা হয়। গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ফের ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। রাজধানীর অফিসে গিয়ে তদবির করেছেন। খায়ের বলেন, ‘রুস্তম আর দল বদল না করার জন্য এবার তিন তওবা পড়েছেন।
এই তওবায় ক্ষমা করা যায়। তাই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। দরবারে এলে তাঁকে পিরোজপুর-৩ আসনের প্রার্থী ঘোষণা দেওয়া হয়।’এসব বিষয়ে ডা. রুস্তম সমকালের কাছে দাবি করেন, নতুন যোগদান নয়। তিনি পুরোনো সদস্য পদ নবায়ন করেছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে তিনি ইসলামী আন্দোলনে যোগ দেন। ওই বছরের নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বর্জন করায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। এ জন্য তাঁর সদস্য পদ স্থগিত হয়েছিল। জাপায় যোগ দেওয়ার পরও সদস্য পদ ছিল কিনা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘তারা (ইসলামী আন্দোলন) রেখেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেকে দল বদল করছেন।’
উল্লেখ্য, ডা. রুস্তম প্রথম এমপি হন ১৯৯৬ সালে জাপার প্রার্থী হয়ে। ’৯৮ সালে জাপার ভাঙনে তিনি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জেপিতে যান। পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ২০২১ সালে এ দলের এমপি হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগের এমপিকে পরাজিত করেন। তখন এমপি হয়ে তিনি ফের জাপায় যোগ দেন। ২০১৮ সালে জাপার প্রার্থী হিসেবে মহাজোটের
সমর্থনে এমপি হন। কিন্তু দলীয় কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে জাপার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি হয়। এর জেরে গত বছর ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জাপা তাঁকে মনোনয়ন দেয়নি। স্বতন্ত্র নির্বাচন করে
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন।
তিনি এ আসনে তিনটি দল থেকে চারবার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। একবার করে বিএনপি, জাতীয় পার্টি (জাপা), মহাজোট এবং স্বতন্ত্র। সর্বশেষ গত বছর ৭ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সরকারের অধীন নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রর্থী হয়ে হারেন।
জানা গেছে, ডা. ফরাজি ১৩টি বাসে অনুসারী নিয়ে গতকাল দুপুরে চরমোনাই দরবারে যান। পীর ও ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ওই দলে যোগ
দেন। ওই অনুষ্ঠানে মুফতি রেজাউল তাঁকে পিরোজপুর-৩ আসনে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা দেন।
ইসলামী আন্দোলনের সহকারী মহাসচিব ও পীরের ভাই মুফতি সৈয়দ এসাহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের সমকালকে জানান, ডা. রুস্তম ২০১৭ সালে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তিনি বিতর্কিত নির্বাচনে অংশ নিলে তাঁর সদস্য পদ স্থগিত করা হয়। গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ফের ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। রাজধানীর অফিসে গিয়ে তদবির করেছেন। খায়ের বলেন, ‘রুস্তম আর দল বদল না করার জন্য এবার তিন তওবা পড়েছেন।
এই তওবায় ক্ষমা করা যায়। তাই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। দরবারে এলে তাঁকে পিরোজপুর-৩ আসনের প্রার্থী ঘোষণা দেওয়া হয়।’এসব বিষয়ে ডা. রুস্তম সমকালের কাছে দাবি করেন, নতুন যোগদান নয়। তিনি পুরোনো সদস্য পদ নবায়ন করেছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে তিনি ইসলামী আন্দোলনে যোগ দেন। ওই বছরের নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বর্জন করায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। এ জন্য তাঁর সদস্য পদ স্থগিত হয়েছিল। জাপায় যোগ দেওয়ার পরও সদস্য পদ ছিল কিনা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘তারা (ইসলামী আন্দোলন) রেখেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেকে দল বদল করছেন।’
উল্লেখ্য, ডা. রুস্তম প্রথম এমপি হন ১৯৯৬ সালে জাপার প্রার্থী হয়ে। ’৯৮ সালে জাপার ভাঙনে তিনি আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জেপিতে যান। পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ২০২১ সালে এ দলের এমপি হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগের এমপিকে পরাজিত করেন। তখন এমপি হয়ে তিনি ফের জাপায় যোগ দেন। ২০১৮ সালে জাপার প্রার্থী হিসেবে মহাজোটের
সমর্থনে এমপি হন। কিন্তু দলীয় কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে জাপার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি হয়। এর জেরে গত বছর ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জাপা তাঁকে মনোনয়ন দেয়নি। স্বতন্ত্র নির্বাচন করে
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন।