পদ্মার ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে নদীপারের শত শত পরিবার

আপলোড সময় : ১৭-১০-২০২৫ ০৬:৩২:৪৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-১০-২০২৫ ০৬:৩২:৪৩ অপরাহ্ন

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মা নদী তীরবর্তী গ্রামগুলোতে আবারও শুরু হয়েছে ভয়াবহ নদীভাঙন। বছরের পর বছর ধরে নদীভাঙনের শিকার হলেও এবার পরিস্থিতি আরো বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। নতুন করে শুরু হওয়া ভাঙনে আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে নদীপারের শত শত পরিবার।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের শয়তানখালী, ছলেনামা ও আকোটের চর গুচ্ছ গ্রামে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।

 
এর মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে গুচ্ছ গ্রাম। স্থানীয়রা জানান, এই তিন এলাকায় প্রায় ২০০ পরিবার পদ্মার করাল গ্রাসে ঘরবাড়ি হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।

 

শয়তানখালী এলাকার বাসিন্দা মালেক প্রামাণিক বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে আমরা নদীভাঙনের শিকার। ঘরবাড়ি ছেড়ে কোথায় যাব, কিছুই বুঝতে পারছি না।

 
’

 

স্থানীয় চা বিক্রেতা মোতালেব বেপারী বলেন, ‘এই এলাকায় এ বছরই শতাধিক বিঘা ফসলি জমি ও গাছপালা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। অনেকে এরই মধ্যে ঘরবাড়ি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও টেকসই ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই হাজারো পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন বলেন, ‘পদ্মার পানি কমতে শুরু করলেও ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে।

 
ইতোমধ্যে ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোতে পর্যবেক্ষণ করে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১৩ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। নতুন করে যে এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে, সেখানে দ্রুত টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সম্পাদকীয় :

সম্পাদক : সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ 

ন্যাশনাল মিডিয়া হাউজ লিঃ 

ঠিকানা : রিসোর্সফুল পল্টন সিটি, ৮ম তলা, ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন। ঢাকা-১০০০.

ফোন : 0963 8932 732, ই মেইল : news@nationaltimes24.com

অফিস :