হাসপাতালের বেডে সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের হাতকড়া পরিহিত ছবির প্রসঙ্গে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ বলেছেন, এই ঘটনাগুলো অন্তত এই আমলে মানানসই না। সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক ভিডিওতে তিনি একথা বলেন।
মোস্তফা ফিরোজ বলেন, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল মজিদ হুমায়ুনের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুকালেও তার হাতে হাতকড়া পড়ানো ছিল, এমন একটা ছবি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকেই মন্তব্য করছেন।
অনেকেই এর নিন্দা করেছেন যে একজন এই যে মৃত্যুপথযাত্রী বা যিনি নিশ্চিতভাবে যে গুরুতর অসুস্থ তাকে কি হাতকড়া পড়ানোর দরকার আছে, পুলিশ পাহারাই তো যথেষ্ট ছিল।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার আমলে কিন্তু এই ধরনের অমানবিক অনেক ছবি আমরা দেখাতাম, বাবার মৃত্যু হয়েছে, মায়ের মৃত্যু হয়েছে, প্যারোলে মুক্তি পেয়ে এসেছে কিন্তু ডান্ডাবেড়ি বা হাতকড়া পরানো। এই ঘটনাগুলো ভালো না।
মোস্তফা ফিরোজ আরো বলেন, সরকার, প্রশাসন তো জানে যে এই বয়সে এবং তার রাজনৈতিক অবস্থানের প্রেক্ষিতে তিনি দৌড়ে পালাবেন, সেটা তার শরীর বা অসুস্থতার ফলে সম্ভব না।
তার ডেঙ্গু হয়েছিল, প্রথমে পিজিতে (বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) নিয়ে আসা হয় কিন্তু সেখান থেকে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়; পরে জেল কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। খুব সাধারণ বেডে শুয়ে আছেন, দূরে পুলিশও দেখা যাচ্ছে হাতকড়া পরানো।
তিনি বলেন, এই ঘটনাগুলো অন্তত এই আমলে মানানসই না। আমরা যদি মনে করি শেখ হাসিনার আমলের নিষ্ঠুরতার পাল্টা হিসেবে এই আমলেও সেই নিষ্ঠুরতা করে প্রতিশোধ নিতে হবে, তবে হাসিনা আমলের সেই অমানবিক শাসনটাকে সমর্থন করা হবে।
এবং আমরা কখনোই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারব না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারব না।
মোস্তফা ফিরোজ বলেন, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল মজিদ হুমায়ুনের মৃত্যু হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুকালেও তার হাতে হাতকড়া পড়ানো ছিল, এমন একটা ছবি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেকেই মন্তব্য করছেন।
অনেকেই এর নিন্দা করেছেন যে একজন এই যে মৃত্যুপথযাত্রী বা যিনি নিশ্চিতভাবে যে গুরুতর অসুস্থ তাকে কি হাতকড়া পড়ানোর দরকার আছে, পুলিশ পাহারাই তো যথেষ্ট ছিল।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার আমলে কিন্তু এই ধরনের অমানবিক অনেক ছবি আমরা দেখাতাম, বাবার মৃত্যু হয়েছে, মায়ের মৃত্যু হয়েছে, প্যারোলে মুক্তি পেয়ে এসেছে কিন্তু ডান্ডাবেড়ি বা হাতকড়া পরানো। এই ঘটনাগুলো ভালো না।
মোস্তফা ফিরোজ আরো বলেন, সরকার, প্রশাসন তো জানে যে এই বয়সে এবং তার রাজনৈতিক অবস্থানের প্রেক্ষিতে তিনি দৌড়ে পালাবেন, সেটা তার শরীর বা অসুস্থতার ফলে সম্ভব না।
তার ডেঙ্গু হয়েছিল, প্রথমে পিজিতে (বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) নিয়ে আসা হয় কিন্তু সেখান থেকে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়; পরে জেল কর্তৃপক্ষ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। খুব সাধারণ বেডে শুয়ে আছেন, দূরে পুলিশও দেখা যাচ্ছে হাতকড়া পরানো।
তিনি বলেন, এই ঘটনাগুলো অন্তত এই আমলে মানানসই না। আমরা যদি মনে করি শেখ হাসিনার আমলের নিষ্ঠুরতার পাল্টা হিসেবে এই আমলেও সেই নিষ্ঠুরতা করে প্রতিশোধ নিতে হবে, তবে হাসিনা আমলের সেই অমানবিক শাসনটাকে সমর্থন করা হবে।
এবং আমরা কখনোই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারব না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারব না।