লাদাখে রাজ্যের মর্যাদা ও ষষ্ঠ তফসিল কার্যকরের দাবিতে বুধবারের বিক্ষোভ সহিংস আকার ধারণ করে। বিক্ষোভকারীরা বিজেপির কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। সংবাদ সম্মেলনে অ্যাক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক বলেন,তিন থেকে পাঁচজন তরুণ নিহত হয়েছেন, কারণ পুলিশ গুলি চালিয়েছে। আমরা বহু আহতের খবর পাচ্ছি, কিন্তু সঠিক সংখ্যা এখনো জানি না।
ওয়াংচুক বলেন, ‘আজকের তরুণদের এই বিক্ষোভ এক ধরনের ‘জেন-জি বিপ্লব’। তারা পাঁচ বছর ধরে বেকার। এটি সামাজিক অস্থিরতার একটি রেসিপি। এখানে কোনো গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম নেই।
তিনি সহিংসতার বিরুদ্ধে সংযমের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সহিংসতা কোনো সমাধান নয়। ওয়াংচুক জানান, বুধবার ১৫তম দিনে পৌঁছানো অনশন কর্মসূচি তারা স্থগিত করেছেন।
অনশনরত দুই প্রবীণ ব্যক্তি মঙ্গলবার অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে নেওয়া হলে শিক্ষার্থী ও যুব সংগঠনগুলো লেহতে শাটডাউন ডাক দেয়।
কংগ্রেস নেতা সেরিং নামগিয়াল দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানান, ‘গতকাল এক প্রবীণ নারী ও এক প্রবীণ পুরুষ অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীরা বুধবারের জন্য শাটডাউন ডাকে। আজ সকালে বিপুল সংখ্যক মানুষ অনশনস্থলের দিকে এগিয়ে যান। যুবকরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।’
নামগিয়াল বলেন, ঘটনাস্থলে আগে থেকেই বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন ছিল। বিক্ষোভকারীরা বিজেপি কার্যালয়ের বাইরে থাকা একটি নিরাপত্তা যানবাহনেও আগুন ধরিয়ে দেয়।
রাজ্যের মর্যাদা ও ষষ্ঠ তফসিলের দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ওয়াংচুক ঘটনাটিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেন।
তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘লেহতে অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। শান্তিপূর্ণ পথে চলার বার্তা আজ ব্যর্থ হলো। আমি যুবকদের কাছে আবেদন করছি, দয়া করে এই অর্থহীন কাজ বন্ধ করুন। এটি কেবল আমাদের আন্দোলনকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’
ওয়াংচুকসহ অনেকে গত ৩৫ দিন ধরে অনশন কর্মসূচি চালিয়ে আসছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে আগামী ৬ অক্টোবরের জন্য পরবর্তী দফার আলোচনার ঘোষণা দিয়েছে।
অনুচ্ছেদ ৩৭০ রহিতকরণ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন ২০১৯ কার্যকর হওয়ার পর থেকে লাদাখের রাজনৈতিক ও আইনি অবস্থান গভীরভাবে বিতর্কিত হয়ে উঠেছে। এর ফলে প্রাক্তন রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীরকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়—একটি হলো আইনসভাসহ জম্মু ও কাশ্মীর, আরেকটি হলো আইনসভাবিহীন লাদাখ, যা সরাসরি কেন্দ্রীয় প্রশাসনের অধীনে চলে যায়।
এর পর থেকে লাদাখকে ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জোরদার হয়েছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি রাজ্যের মতো এ ব্যবস্থায় উপজাতি-অধ্যুষিত এলাকায় আইন প্রণয়ন ও আর্থিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয় স্বশাসিত জেলা পরিষদের মাধ্যমে।
এই দাবির ভিত্তি হলো, লাদাখের মোট জনসংখ্যার ৯০ শতাংশেরও বেশিই অনগ্রসর উপজাতি সম্প্রদায়ের অন্তর্গত।
সূত্র : দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, এনডিটিভি
ওয়াংচুক বলেন, ‘আজকের তরুণদের এই বিক্ষোভ এক ধরনের ‘জেন-জি বিপ্লব’। তারা পাঁচ বছর ধরে বেকার। এটি সামাজিক অস্থিরতার একটি রেসিপি। এখানে কোনো গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম নেই।
তিনি সহিংসতার বিরুদ্ধে সংযমের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সহিংসতা কোনো সমাধান নয়। ওয়াংচুক জানান, বুধবার ১৫তম দিনে পৌঁছানো অনশন কর্মসূচি তারা স্থগিত করেছেন।
অনশনরত দুই প্রবীণ ব্যক্তি মঙ্গলবার অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে নেওয়া হলে শিক্ষার্থী ও যুব সংগঠনগুলো লেহতে শাটডাউন ডাক দেয়।
কংগ্রেস নেতা সেরিং নামগিয়াল দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানান, ‘গতকাল এক প্রবীণ নারী ও এক প্রবীণ পুরুষ অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীরা বুধবারের জন্য শাটডাউন ডাকে। আজ সকালে বিপুল সংখ্যক মানুষ অনশনস্থলের দিকে এগিয়ে যান। যুবকরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।’
নামগিয়াল বলেন, ঘটনাস্থলে আগে থেকেই বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন ছিল। বিক্ষোভকারীরা বিজেপি কার্যালয়ের বাইরে থাকা একটি নিরাপত্তা যানবাহনেও আগুন ধরিয়ে দেয়।
রাজ্যের মর্যাদা ও ষষ্ঠ তফসিলের দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ওয়াংচুক ঘটনাটিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করেন।
তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘লেহতে অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। শান্তিপূর্ণ পথে চলার বার্তা আজ ব্যর্থ হলো। আমি যুবকদের কাছে আবেদন করছি, দয়া করে এই অর্থহীন কাজ বন্ধ করুন। এটি কেবল আমাদের আন্দোলনকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’
ওয়াংচুকসহ অনেকে গত ৩৫ দিন ধরে অনশন কর্মসূচি চালিয়ে আসছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে আগামী ৬ অক্টোবরের জন্য পরবর্তী দফার আলোচনার ঘোষণা দিয়েছে।
অনুচ্ছেদ ৩৭০ রহিতকরণ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন ২০১৯ কার্যকর হওয়ার পর থেকে লাদাখের রাজনৈতিক ও আইনি অবস্থান গভীরভাবে বিতর্কিত হয়ে উঠেছে। এর ফলে প্রাক্তন রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীরকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়—একটি হলো আইনসভাসহ জম্মু ও কাশ্মীর, আরেকটি হলো আইনসভাবিহীন লাদাখ, যা সরাসরি কেন্দ্রীয় প্রশাসনের অধীনে চলে যায়।
এর পর থেকে লাদাখকে ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জোরদার হয়েছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি রাজ্যের মতো এ ব্যবস্থায় উপজাতি-অধ্যুষিত এলাকায় আইন প্রণয়ন ও আর্থিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয় স্বশাসিত জেলা পরিষদের মাধ্যমে।
এই দাবির ভিত্তি হলো, লাদাখের মোট জনসংখ্যার ৯০ শতাংশেরও বেশিই অনগ্রসর উপজাতি সম্প্রদায়ের অন্তর্গত।
সূত্র : দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, এনডিটিভি