মূল সড়কে যেন ব্যাটারিচালিত রিকশা প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য ট্রাফিক পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
তিনি বলেন, এ ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশ বিশেষ তৎপর। ফুটপাত ও সড়কের অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ডিএমপি সদরদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে রমজানে ঢাকা মহানগর এলাকার ব্যাংক ও শপিংমলগুলোর নিরাপত্তা, ভেজাল খাদ্যদ্রব্য ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, রমজানে ইফতারের আগে রাজধানীতে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। নগরবাসী যেন যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছে ইফতার করতে পারেন সেজন্য ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ট্রাফিক বিভাগ ও ক্রাইম বিভাগের পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্স নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে। ইফতারের সময় তারা সড়কেই ইফতার করছেন, যেন যান চলাচল নির্বিঘ্ন থাকে।
তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে ডিএমপির সংশ্লিষ্ট ইউনিট কাজ করছে।
সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, রমজানে এখন পর্যন্ত ঢাকা মহানগরে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। রোজার বাকি দিনগুলো যদি এভাবে শান্তিপূর্ণভাবে পার করতে পারি তাহলে ঈদ উৎসব সুন্দরভাবে উদযাপন করতে পারবো।
ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের দোকান, মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসুন।
যে কোনো প্রয়োজনে নিকটস্থ থানা ও জরুরি সহায়তার জন্য জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোনকল করতে অনুরোধ করেন তিনি। পাশাপাশি ঈদ সামনে রেখে নগদ অর্থ ও মূল্যবান দ্রব্য পরিবহনে ডিএমপির এস্কর্ট সেবা নেওয়ারও আহ্বান জানান।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান, ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার, বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।