চীন-ভারত-পাকিস্তান সবার সঙ্গে দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে বিএনপি। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে আপনার পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে—এমন প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং এ দেশের মানুষের বৃহত্তর স্বার্থকে রক্ষা করে আমরা আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করব।’
সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মূলত কী কী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে আপনাকে—এ প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ আছে।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের উন্নয়ন কেমন হবে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভকে কিভাবে দেখছেন জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করব। যদি এমন কিছু থাকে, যা বাংলাদেশের পক্ষে হবে না, স্বাভাবিকভাবেই আমরা তা করতে পারি না। আমি নিশ্চিত, পারস্পরিক স্বার্থই প্রথম অগ্রাধিকার, যা আমরা অনুসরণ করব।’
বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যদি তা বাংলাদেশের উপকারে আসে, অর্থনীতির সহায়ক হয়, আমরা তখন সিদ্ধান্ত নেব।
সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে বিএনপির সরকার কাজ করবে কি না—জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনি জানেন, সার্ক প্রতিষ্ঠা করা কিন্তু বাংলাদেশের উদ্যোগ ছিল। আমরা চাই, এটি সচল হোক।
শেখ হাসিনাকে ভারতের কাছ থেকে প্রত্যর্পণ চাইবে কি না বিএনপি এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেটা আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।’ চীন প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘তারা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী। আমরা আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার মতো জায়গা আমরা অবশ্যই তৈরি করব।’
ভঙ্গুর অর্থনীতি, নিম্ন পর্যায়ে বিনিয়োগ ও মূল্যস্ফীতি কমাতে পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা নতুন নতুন বিনিয়োগ নিয়ে আসব এবং কর্মসংস্থান তৈরি করব।’