ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে চিকিৎসককে মারধর করায় জরুরি বিভাগের সেবা বন্ধ রাখেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে চিকিৎসা দেওয়া শুরু হয়।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে ওই চিকিৎসককে মারধরের ঘটনা ঘটে।
মৃত ওই রোগীর নাম নাজমা বেগম (৩৩)।
এ ঘটনায় উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
মৃতের ছেলে ইমতিয়াজের ভাষ্য, তার সৎমাকে লিভারের সমস্যায় মেডিসিন বিভাগের (৭০২) ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে বুধবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি জানতে পেরেছেন, স্যালাইনের সঙ্গে ইনজেকশন পুশ করার কথা ছিল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়ে রাত আনুমানিক ১টার দিকে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকের সঙ্গে রোগীর স্বজনরা কথা বলতে গেলে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সেখানে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সেখানে কর্তব্যরত আনসার সদস্য ও ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মিলে তাদেরকে দাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে মৃতের মরদেহটি নিচে নামানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।
এদিকে চিকিৎসকরা জরুরি বিভাগের মেইন গেট বন্ধ করে দেন। এতে রোগী আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। তারা জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে চিকিৎসা দেওয়া শুরু হয়।