নোয়াখালী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে (ডিপিএইচই) সরকারি প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের পানির পাইপ মাত্র ১৯ লাখ টাকায় গোপন টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা নিয়ে জেলা জুড়ে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি প্রধান প্রকৌশলীর নজরে এলে তিনি ঘটনাটি সরেজমিন তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দেন।
বুধবার (৭ ডিসেম্বর) দিনভর সরেজমিনে এসে এ তদন্ত করেন চট্টগ্রাম সার্কেলের প্রকৌশলী তদন্ত কমিটির প্রধান মোহাম্মদ আলী আজগর।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে মজুদ থাকা বিপুল পরিমাণ জিআই ও পিভিসি পাইপ ‘অব্যবহৃত’ দেখিয়ে গোপনে নিলামে তোলা হয়।
ঠিকাদারদের অভিযোগে আরো বলা হয়, বাজার মূল্য ও প্রকল্প মূল্য অনুযায়ী এসব পাইপের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা হলেও মাত্র ১৯ লাখ টাকায় বিক্রি দেখানো হয়েছে। এতে করে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম সার্কেলের প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী আজগর বলেন, বিষয়টি এখন তদন্তাধীন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ড্যানিডা প্রকল্পের অর্থায়নে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের পাইপ ও নির্মাণ সামগ্রী নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের একটি গুদামে সংরক্ষিত ছিল।
ঠিকাদারদের অভিযোগ, দেড় ইঞ্চি ব্যাসের ৪৮ হাজার এবং তিন ইঞ্চি ব্যাসের ২৮ হাজার পাইপসহ প্রায় ১৫ লাখ ২০ হাজার ফুট বিভিন্ন মাপের পাইপ নিলামে বিক্রি করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।