গাইবান্ধা-১ ও ২ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীসহ মোট আট প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। গাইবান্ধা-১ আসন থেকে পাঁচজন এবং গাইবান্ধা-২ আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উভয় আসনের মনোনয়ন দাখিলকারী প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, শিক্ষকতা পেশায় জড়িত থাকায় গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাজেদুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এ ছাড়া দলীয় মনোনয়নপত্রের কাগজপত্র সঠিক না থাকায় জাতীয় পার্টির মাহফুজুল হক সরকার ও ইসলামী আন্দোলনের রমজান আলীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা আক্তার ও মোস্তফা মহসিনের ক্ষেত্রে সমর্থনকারী ভোটারের সংখ্যায় অসংগতি থাকায় তাঁদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে গাইবান্ধা-২ আসনে দলীয় মনোনয়নপত্র সঠিক না থাকায় কমিউনিস্ট পার্টির মিহির কুমার ঘোষ ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদের এবং হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় খেলাফত মজলিসের এ কে এম গোলাম আযমের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
যারা বৈধতা পেলেন
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম জিয়া, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বাসদ মার্কসবাদীর পরমানন্দ দাস, এলডিপির শরিফুল ইসলাম এবং আমজনতার কওছর আজম। এ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।
অন্যদিকে গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধতা পেয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা বিধান অনুযায়ী আপিল করতে পারবেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি সন্তোষজক। প্রার্থীরা আচরণবিধি প্রতিপালনের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছেন।