দিল্লী নিজামুদ্দীন মারকাজের তত্ত্বাবধানে আগামী ৫, ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ঐতিহাসিক কাশ্মীর ইজতেমা। উপমহাদেশের অন্যতম এই বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ ঘিরে ইতোমধ্যেই মুসলিম সমাজের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
প্রতি বছরের মতো এবারও কাশ্মীর ইজতেমায় ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেবেন। পাশাপাশি পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকেও আলেম, উলামা ও মুসল্লিরা উপস্থিত হবেন বলে আয়োজক কমিটি আশা করছে। ইজতেমা চলাকালীন দিনগুলোতে কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ এলাকা নামাজ, বয়ান ও দাওয়াতের আলোয় আলোকিত হবে।
ইজতেমা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আয়োজক কমিটি ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। নামাজ আদায়ের জন্য বড় জামাতের ব্যবস্থা, ওযু ও পানির সুবিধা, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, থাকার জায়গা, যানবাহন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এ ইজতেমায় দ্বীনি দাওয়াত, তাওহীদ, সুন্নাহর প্রতি অনুরাগ, আমল ও আখলাকের উন্নতি এবং মুসলিম উম্মাহর ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে। নিজামুদ্দীন মারকাজের শীর্ষ দায়ী ইলাল্লাহগণ বয়ান প্রদান করবেন। প্রতিদিন ফজর থেকে শুরু করে রাত অবধি ধারাবাহিকভাবে ইসলামী শিক্ষা ও তালীম অনুষ্ঠিত হবে।
ইজতেমার শেষ দিন অর্থাৎ ৭ সেপ্টেম্বর জুমার নামাজের পর অনুষ্ঠিত হবে আখেরি মোনাজাত। এ সময় লাখো মুসল্লি অংশ নিয়ে পুরো মুসলিম উম্মাহ, বিশেষ করে কাশ্মীর ও বিশ্ব মুসলিমের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং রহমতের জন্য দোয়া করবেন।