আদালত একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বাংলাদেশ ব্যাংকের বুলিয়ন শাখার স্বর্ণ বিশেষজ্ঞ, এনবিআরের একজন কর গোয়েন্দা এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইসি) মনোনীত দুই কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে লকার খোলার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) পূবালী ব্যাংক পিএলসির মতিঝিল কর্পোরেট শাখা ও অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির প্রিন্সিপাল শাখার তিনটি লকার খোলা হয়। এর মধ্যে পূবালী ব্যাংকের লকার নম্বর ১২৮—গ্রাহক শেখ হাসিনার নামে—থেকে একটি খালি ছোট পাটের ব্যাগ পাওয়া যায়।
অগ্রণী ব্যাংকের লকার নম্বর ৭৫১/বড়/১৯৬—গ্রাহক শেখ হাসিনা ও সাইমা ওয়াজেদ পুতুলের নামে—থেকে প্রায় ৪,৯২৩.৬০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়। একই ব্যাংকের লকার নম্বর ৭৫৩/বড়/২০০—গ্রাহক শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সিদ্দিকীর নামে—থেকে পাওয়া যায় ৪,৭৮৩.৫৬ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার।
দুদক জানিয়েছে, এখন প্রাথমিক ইনভেন্টরি তালিকা যাচাই, মালিকানা সুনির্দিষ্টকরণ এবং স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে। এই প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মালিকানা ও আইনগত দায়-দায়িত্ব নিরূপণ করা হবে।