২১ অক্টোবর ২০২৬ , ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

নাইজেরিয়ার ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে হত্যার দাবি জিহাদিদের

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | ন্যশনাল টাইমস টোয়েন্টিফোর.কম
আপলোড সময় : ১৯-১১-২০২৫ ১০:১৪:২৫ পূর্বাহ্ন
নাইজেরিয়ার ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে হত্যার দাবি জিহাদিদের

নাইজেরিয়ার চাদ অঞ্চলে জিহাদি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নেতৃত্বদানকারী একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে হত্যা করেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস) সমর্থিত একটি জিহাদি গোষ্ঠী।

আইএস-সমর্থিত আমাক অনলাইন চ্যানেলে একটি পোস্টে ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকা প্রভিন্স (আইএসডব্লিউএপি) শনিবার জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা ‘দেশের উত্তরে সামরিক বাহিনীর ওপর একটি সফল আক্রমণ চালিয়েছে। এ ঘটনায় নাইজেরিয়ান সেনাবাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে।’ পোস্টটির সঙ্গে দুটি ছবি ছিল একটিতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম. উবা মাটিতে বসে আছেন এবং অন্যটিতে ধরা পড়ার আগে তার অফিসে বসে আছেন।

 
 

 

এ ঘটনা সত্য হলে, ২০২১ সালের পর থেকে দেশের দীর্ঘস্থায়ী জিহাদি যুদ্ধে উবা হবেন নিহত সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তা। এর আগে শুক্রবার উত্তর-পূর্ব বোর্নো রাজ্যের ওয়াজিরকো শহরের কাছে আইএসডব্লিউএপি যোদ্ধারা একটি সেনা কনভয়ে অতর্কিত হামলা চালানোর পর ডাম্বোয়া শহরে নাইজেরিয়ান সেনাবাহিনীর ২৫তম ব্রিগেডের কমান্ডার নিখোঁজ হন।

শনিবার নাইজেরিয়ার সেনাবাহিনী স্থানীয় গণমাধ্যমে উবাকে আটক খবর ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তারা জোর দিয়ে বলেছে, জিহাদিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সেনাবাহিনীকে সাহায্যকারী একটি মিলিশিয়ার দুই সেনা এবং দুই যোদ্ধাকে হত্যার পর তিনি ঘাঁটিতে ফিরে এসেছেন।

 

 

নাইজেরিয়ার একটি গোয়েন্দা সূত্র রবিবার গভীর রাতে এএফপিকে জানিয়েছে, উবাকে ১৬ জন সেনাকে সঙ্গে আটক করা হয়েছে এবং তারা সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি আশা করছে। এক গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, ‘আইএসডব্লিউএপি তার মোবাইল ফোন দীর্ঘ সময় চালু রেখেছিল, যার ফলে সেনারা তার অবস্থান নির্ধারণ করতে পেরেছিল।’

সূত্রটি আরো যোগ করেছে, ‘তারা তাকে তার বন্ধুর সঙ্গে ভিডিও কল করতে বাধ্য করেছিল…এরপর ফোন বন্ধ করে দেওয়া হয়। উদ্ধার দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

 
’ এফপির মন্তব্যের অনুরোধে সেনাবাহিনী কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

 

আইএসডব্লিউএপি, যা ২০১৬ সালে নাইজেরিয়ার বোকো হারাম জিহাদি গোষ্ঠী থেকে আলাদা হয়। তারা উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায়, মাইন বসায় এবং সেনাদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করে। চার বছর আগে বরনোতে আইএসডব্লিউএপি হামলা প্রতিহত করার সময় এক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং তিন জন সেনা নিহত হন।

গত অক্টোবর মাসে বামা শহরে এক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হামলায় নিহত হন।

 
১৬ বছরের জিহাদি সহিংসতায় উত্তর-পূর্বে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় দুই মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

 

সূত্র : এএফপি

 
 
 


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ