২৩ অক্টোবর ২০২৬ , ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ


পরীক্ষামূলক সম্প্রচার

ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

খুমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | ন্যশনাল টাইমস টোয়েন্টিফোর.কম
আপলোড সময় : ০৯-১০-২০২৫ ০৭:৩৫:৫২ অপরাহ্ন
খুমেক হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হঠাৎ করেই কর্মবিরতি পালন করছেন। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতাল পরিচালক বরাবর চার দফা দাবি তুলে ধরে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা।

দাবিগুলো হলো হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, আনসার সদস্য বৃদ্ধি, আনসারদের মোবাইল টিম গঠন এবং সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসকের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা।

ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. শেখ আলামিন বলেন, বৃহস্পতিবার ভোরে সার্জারি ওয়ার্ডের ইউনিট ১-এ এক পুরুষ রোগী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

 
মৃতুর পরপরই রোগীর স্বজনরা চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ এনে কর্মরত ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা চালান। এর প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার দাবিতে চার দফা দাবি তুলে ধরে দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কর্মবিরতিতে যান ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তিনি বলেন, ‘আমাদের সহকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।’ 

 

এদিকে কোনো পূর্বঘোষণা বা আলটিমেটাম ছাড়াই হঠাৎ কর্মবিরতিতে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

 
সপ্তাহের শেষ দিনে ধর্মঘটের কারণে ভর্তি রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন। দুপুরের পর থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অনুপস্থিত থাকায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। অনেক মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসায় জটিলতা দেখা যায় এবং নার্সদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত খুমেক হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল এক হাজার ৬৪৩ জন।
 

 

এদিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের রেকর্ডে দেখা যায়, বুধবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ওই রোগীকে সার্জারি ইউনিট ১-এ ‘অজ্ঞাতনামা’ হিসেবে ভর্তি করা হয়। রনি নামের এক ভ্যানচালক তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে আহত ব্যক্তির মোবাইল ফোন থেকে তার ছেলেকে ফোন করে ঘটনাটি জানানো হয়

বৃহস্পতিবার বিকেলে রনি বলেন, ‘নগরীর সোনাডাঙ্গা আলির ক্লাব মোড়ে দুর্ঘটনায় আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে পাই। পরে হাসপাতালে এনে ভর্তি করি। তার মোবাইল ফোন থেকে ছেলেকে খবর দিয়ে চলে আসি।

 
’ 

 

নিহত ব্যক্তির বাড়ি যশোরের অভয়নগর এলাকায় বলে জানা গেছে। তবে রাতে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনার পর কিভাবে লাশটি বিনা ময়নাতদন্তে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ