৬ শর্তে বুধবার থেকে খুলছে কেওক্রাডং, যেতে পারবেন চিংড়ি ঝর্ণাও
প্রকৃতি প্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে খুলছে বান্দরবান পার্বত্য জেলার দুর্গম রুমা উপজেলার কেওক্রাডং পর্যটনকেন্দ্র।
২৯ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বিকেলে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনির জারি করা একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে পর্যটকদের জন্য কেওক্রাডং পর্বত ভ্রমণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
এ সময় গণবিজ্ঞপ্তিতে ৬টি শর্তাবলী আরোপ করা হয়। সেগুলো হলো
-সার্বিক আইন-শৃখলা পরিস্থিতি বিবেচনায় রুমা উপজেলার যে সব পর্যটনকেন্দ্র উন্মুক্ত করা হয়েছে সেসব পর্যটনকেন্দ্র ছাড়া উপজেলার অন্য জায়গায় পর্যটকদের গমনাগমন নিষিদ্ধ থাকবে।
-জেলা/উপজেলা প্রশাসনের নিবন্ধিত ট্যুর গাইড ব্যতীত ভ্রমণ করা যাবে না।
-পর্যটনকেন্দ্র সংশ্লিষ্ট চেকপোস্ট/পর্যটন তথ্য সেবাকেন্দ্রে চাহিত তথ্য অবশ্যই সরবরাহ করতে হবে।
-পর্যটক কর্তৃক উপর্যুক্ত নির্দেশনাসমূহ অমান্য করা হলে তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ/নিকটবর্তী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবগত করতে হবে।
-পাহাড়ি রাস্তায় চলাচলের অনুপযোগী ও ফিটনেসবিহীন সব যানবাহন উল্লিখিত পর্যটনকেন্দ্রসমূহে চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে এবং পর্যটকবাহী সকব যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
- অযাচিত যেকোনো ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট পর্যটন সংস্থার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং পর্যটন শিল্পের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
এ বিষয়ে কালের কণ্ঠকে রুমা উপজেলার ভ্রমণ গাইড ও গাইড সমিতির আহ্বায়ক সদস্য মোহাম্মদ জসিম বলেন, ‘বহুদিন পর আমরা পর্যটকদের নিয়ে কেওক্রাডং যেতে পারবো। এ নিয়ে আমরা অনেক উচ্ছ্বাসিত।’
এসময় চিংড়ি ও রিঝুক ঝর্ণায় পর্যটকরা যেতে পারবেন বলেও কালের কণ্ঠকে জানান গাইড জসিম।
এর আগে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের কিছু অংশে সশস্ত্র সংগঠন কুকি চিন ন্যাশন্যাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) এর তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণে ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল প্রশাসন।
কমেন্ট বক্স